হেনরি আইল্যান্ড বকখালির কাছে, কলকাতা থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। অনেকের কাছে এটাই সফরের সবচেয়ে মনে রাখার মতো অংশ: প্রধান সৈকতের চেয়ে সবুজ ও শান্ত, যেন হাতের কাছেই সুন্দরবন।
প্রবেশপথ
প্রবেশপথে মাথার উপর গাছের ডাল মিলে তৈরি হয়েছে প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ, আলোকচিত্রীদের প্রিয় জায়গা। তার পরে ম্যানগ্রোভের খাঁড়ির উপর দিয়ে কাঠের সাঁকো ও হাঁটাপথ।

ওয়াচটাওয়ার
গাছের মাথা ছাড়িয়ে ওঠা ওয়াচটাওয়ার থেকে ম্যানগ্রোভ পেরিয়ে সমুদ্র পর্যন্ত দেখা যায়। আলো নরম থাকে এমন সময়ে, সকালে বা বিকেলে উঠুন।
সৈকতে লাল কাঁকড়া
হেনরি আইল্যান্ডের সৈকত লাল কাঁকড়ার জন্য পরিচিত। ভেজা বালির উপর দিয়ে ছুটে বেড়ায়, সামান্য কম্পনেই গর্তে ঢুকে পড়ে। দেখতে চাইলে আস্তে হাঁটুন, স্থির থাকুন।
যাওয়ার আগে
- প্রবেশের নিয়ম, টিকিট ও সময় বদলাতে পারে, স্থানীয়ভাবে জেনে নিন।
- জল ও মশা তাড়ানোর ওষুধ নিন; সৈকতে ছায়া কম।
- কাঁকড়াদের তাড়া করবেন না বা ধরবেন না, কোনো আবর্জনা ফেলে আসবেন না।
সূত্র: বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ড, জম্বুদ্বীপ ও হাতানিয়া-দোয়ানিয়া সেতু বিষয়ক উইকিপিডিয়া নিবন্ধ (নভেম্বর ২০২৬-এ দেখা)। যাত্রার সময় আনুমানিক; পরিস্থিতি বদলায়, স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।



