ধীরেসুস্থে বকখালি দেখতে দুই দিনই যথেষ্ট। এই নমুনা পরিকল্পনায় ধরে নেওয়া হয়েছে আপনি কলকাতা থেকে গাড়িতে যাচ্ছেন এবং এক রাত থাকছেন। সেদিনের জোয়ার-ভাটা, আবহাওয়া ও খোলার সময় দেখে সময় বদলে নিন।
প্রথম দিন: পৌঁছে বিশ্রাম
- NH ১২-এর যানজট এড়াতে ভোরে কলকাতা থেকে বেরোন।
- নামখানায় হাতানিয়া-দোয়ানিয়া সেতু পেরিয়ে বকখালি।
- চেক-ইন, দুপুরের খাওয়া, দিনের সবচেয়ে গরম সময়টা বিশ্রাম।
- শেষ বিকেলে সৈকতে হাঁটুন, সন্ধ্যার আলো পর্যন্ত থাকুন।
দ্বিতীয় দিন: দ্বীপ, বন্দর ও বাড়ি ফেরা
- সকালে হেনরি আইল্যান্ড: গাছের সুড়ঙ্গ, ওয়াচটাওয়ার আর লাল কাঁকড়া।
- ফ্রেজারগঞ্জের মাছের বন্দর ও স্যর অ্যান্ড্রু ফ্রেজারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ।
- সমুদ্র শান্ত থাকলে ও নৌকা চললে জম্বুদ্বীপ ঘুরে আসতে পারেন; দ্বীপে নামা নিষেধ।
- দুপুরের খাওয়ার পর অন্ধকার নামার আগে কলকাতার পথে রওনা।
যা সঙ্গে নেবেন
- নগদ টাকা, জল ও শুকনো খাবার।
- সানস্ক্রিন, টুপি ও মশা তাড়ানোর ওষুধ।
- বালি-কাদায় হাঁটার জুতো ও বাড়তি জামাকাপড়।
- শীতে সন্ধ্যার হাওয়ার জন্য হালকা জ্যাকেট।
সূত্র: বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ড, জম্বুদ্বীপ ও হাতানিয়া-দোয়ানিয়া সেতু বিষয়ক উইকিপিডিয়া নিবন্ধ (নভেম্বর ২০২৬-এ দেখা)। যাত্রার সময় আনুমানিক; পরিস্থিতি বদলায়, স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।



