সারা বছরই বকখালি যাওয়া যায়, তবে ঋতুর সঙ্গে অভিজ্ঞতা অনেকটাই বদলায়। এটি বাংলার উপকূলের জন্য সাধারণ ঋতুভিত্তিক নির্দেশিকা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস নয়। যাওয়ার আগে সর্বশেষ আবহাওয়া দেখে নিন।

অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি: সেরা সময়

বর্ষার পর বাতাস শুকনো ও ঠান্ডা হয়, সমুদ্র সাধারণত শান্ত হয়, সৈকতে দিন কাটানো আরামদায়ক। এটাই সবচেয়ে জনপ্রিয় সময়, বিশেষত শীতের সপ্তাহান্ত ও ছুটিতে, তাই আগে থেকে পরিকল্পনা করুন।

মার্চ থেকে মে: গরম ও আর্দ্র

তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বাড়ে। সৈকতে ভোর আর সন্ধ্যাই সবচেয়ে আরামের। এই সময় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে, তাই সরকারি আবহাওয়া সতর্কতা মেনে চলুন।

জুন থেকে সেপ্টেম্বর: বর্ষা

ভারী বৃষ্টি, জোরালো হাওয়া ও উত্তাল সমুদ্র স্বাভাবিক। চারপাশ সবুজ হয়ে ওঠে, কিন্তু সমুদ্রে স্নান বিপজ্জনক এবং নৌকা না-ও চলতে পারে। বর্ষায় গেলে জল নয়, দৃশ্য আর নির্জনতার জন্য যান।

উৎসব ও ভিড়

জানুয়ারির মাঝামাঝি সাগরদ্বীপে গঙ্গাসাগর মেলায় তীর্থযাত্রীরা যান, তখন কাকদ্বীপের দিকের রাস্তা ব্যস্ত থাকতে পারে। লম্বা সপ্তাহান্ত ও পুজোর ছুটিতেও উপকূলে ভিড় বাড়ে।

সূত্র: বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, হেনরি আইল্যান্ড, জম্বুদ্বীপ ও হাতানিয়া-দোয়ানিয়া সেতু বিষয়ক উইকিপিডিয়া নিবন্ধ (নভেম্বর ২০২৬-এ দেখা)। যাত্রার সময় আনুমানিক; পরিস্থিতি বদলায়, স্থানীয়ভাবে যাচাই করুন।